মহাপরিচালকের জীবন বৃত্তান্ত

মহাপরিচালক

ড.আবু সালেহ্ মোস্তফা কামাল

Ph.D, স্নাতক (সম্মান)

ড.আবু সালেহ্ মোস্তফা কামাল, চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলায় এক মুসলিম সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। মধ্যবিত্ত পরিবারে পিতা ছিলেন সরকারী চাকুরিজীবী এবং মাতা ছিলেন গৃহিনী। পাচঁ ভাই-বোনের মধ্যে তিনি পিতা-মাতার ৪র্থ সন্তান।

তিনি আলমডাঙ্গা উপজেলার পাইলট বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক ও আলমডাঙ্গা কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে উচ্চ মাধ্যমিক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উদ্ভিদ বিজ্ঞানে স্নাতক (সম্মান)সহ প্রথম শ্রেণিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করেন। পরবর্তীতে তিনি মাশরুমের সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াকরণের উপর গুরুত্বারোপসহ ফুড সেফটি বিষয়ে Ph.D ডিগ্রী অর্জন করেন। পিএইচডি গবেষণা সংক্রান্ত তাঁর আটটি বৈজ্ঞানিক গবেষণাপত্র জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত হয়; এছাড়াও বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা ও সাময়িকীতে বিভিন্ন সময়ে বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবন্ধ ছাপা হয়। গবেষণাক্ষেত্রে নিজ প্রতিভার নিদর্শনস্বরুপ ‘পুষ্টিসমৃদ্ধ মাশরুম জুস’ ও মাশরুম-ড্রায়ার’ আবিস্কারের জন্য তিনি ০২ (দুই) টি পেটেন্ট অর্জন করে মেধাস্বত্ব তথা ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি (IP)র অধিকারী হন। বিষয়টি উল্লেখ না করলেই নয় যে, ড.সালেহ এখন পর্যন্ত সিভিল সার্ভেন্টদের মধ্যে এরূপ মেধাস্বত্ব অর্জনকারী একজন ব্যক্তিত্ব। তিনি বোটানিক্যাল সোসাইটির সদস্য ও বাংলাদেশ মাশরুম ফেডারেশনের আজীবন গবেষক সদস্য। তিনি অফিসার্স ক্লাব,ঢাকা-এর একজন সম্মানিত সদস্য। বোটানিক্যাল সোসাইটির আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তিনি ‘Food Security in the Changing Environment’ শীর্ষক উপস্থাপনায় বেস্ট স্পিকারের অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন। এছাড়া তিনি ২০১৮-১৯ অর্থবছরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের শুদ্ধাচার পুরস্কার লাভ করেন।

ড.আবু সালেহ্ মোস্তফা কামাল,একাদশ বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের একজন সদস্য। তিনি মাঠ প্রশাসনের বিভিন্ন পদে মানিকগঞ্জ, দৌলতপুর,কোটালীপাড়া,মধুখালী ,ঢাকা,মুন্সিগঞ্জে এবং পরিচালক (হজ) হিসেবেও কর্মরত ছিলেন। সরকার কর্তৃক সম্মানিত হজযাত্রীদের প্রশিক্ষণ প্রদানে একজন প্রশিক্ষক হিসাবেও তিনি সুপরিচিত। বাংলাদেশ সচিবালয়ের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে তিনি বিভিন্ন পদে পদায়িত ছিলেন। ড.আবু সালেহ্ মোস্তফা কামাল সর্বশেষ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও পদে কর্মরত ছিলেন। বিবাহিত জীবনে ড.সালেহ্ এক পুত্র ও এক কন্যা সন্তানের জনক; তাঁর সহধর্মিণী একজন সরকারি চাকুরিজীবী। উচ্চ প্রশিক্ষণ ও চাকরির সুবাদে তিনি জাপান, চীন, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, মালদ্বীপ, মালয়েশিয়া, সৌদিআরব, ইন্দোনেশিয়া, ভুটান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভারত, কেনিয়া, সুইজারল্যান্ড, কানাডা, ব্রাজিল, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য প্রভৃতি দেশ ভ্রমন করেন।